ঢাকাবুধবার , ১৫ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইটি বিশ্ব
  3. আজকের ঢাকা
  4. আজকের রাশিফল
  5. আদর্শ সদর
  6. আমাদের পরিবার
  7. আর্ন্তজাতিক
  8. ইসলামী জীবন
  9. উদ্ভাবন
  10. করোনা
  11. কুমিল্লা
  12. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  13. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন
  14. খুলনা
  15. খেলাধুলা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সৌস ইয়াবা বাজার নিয়ন্ত্রণে কুমিল্লার আন্তর্জাতিক মাদক সিন্ডিকেট জুয়েল !! হুমকিতে তরুণ সমাজ।

admin
আগস্ট ৬, ২০২১ ৬:৫৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ধারাবাহিক পর্ব-১(চলবে)

মহিউদ্দিন সরকার।।

ভারত-মিয়ানমার থেকে আসা মাদক ইয়াবার চালানের বড় একটি অংশ পাচার হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলা ও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে। মাদক সিন্ডিকেট দেশের তরুণ সমাজ ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের টার্গেট করে ইয়াবার চালান পাচার করছে সৌস জুয়েল ও তার সহযোগী রা সেসব দেশে একশ্রেণির প্রবাসী বাঙালির সহায়তায় গড়ে তোলা হয়েছে ইয়াবাবাজার। বিশাল বিস্তৃতি ঘটানো হয়েছে মাদক নেটওয়ার্কের।
কুমিল্লা জেলা সীমান্তবতী এলাকায় জুয়েল বাড়ি হওয়া কারনে ও সৌস হিসেবে পরিচিত তার কারনে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারছেনা দেশ ছাড়ি সে ন্সৌদিতে ইয়াবা পাচার করছে বাঙালি অধ্যুষিত প্রায় প্রতিটি শহরেই চলছে ইয়াবার রমরমা বাণিজ্য। দেশে বসে কিংবা বিদেশ থাকা সেখানকার একাধিক সিন্ডিকেট প্রধানদের আওতায় প্রায় ৪ শতাধিক ছোট বড় সেলাররা রাতদিন মাদকসেবীদের কাছে ইয়াবা পৌঁছানোর কাজে ব্যস্ত থাকছেন জুয়েল সিন্ডিকেট
সূত্র জানান, জুয়েল দেশের কয়েকটি জেলা তার নামে ৮ টি মাদক মামলা রয়েছে জুয়েল সে নিজেকে কখনো ডিবি পুলিশ বা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর লোক পরিচয় দিয়ে তার নিজের গাড়ি দিয়ে আশে পাশে জেলা গুলোতে ইয়াবা’ গাঁজা ;ফেনসিডিল পাঁচার করে থাকে অনুসন্ধানে যানা গেছে গত বছর তার নামে, চারটি মাদক মামলা হয়েছে এবং বিভিন্ন সময় মাদক সহ আটক হলে অদৃশ্য কারণে ছাড়া পেয়ে যায় জুয়েল সিন্ডিকেটের তৎপরতার কারণে কুমিল্লা সহ বিভিন্না জেলা তার ২০ অধিক সহকারী রয়েছে যারা বেশি ভাগ সৌস হিসেবে পরিচিত। তাদের ভয়ে কেউ কথা বলতে পারেনা জুয়েল ঢাকা অভিজাত বার গুলোতে মাদকদ্রব্য সরবারহ করে থাকে । জুয়েল এক সময় ভাড়া গাড়ি চালিয়ে জীবন নিবাহ করত। হঠাৎ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যাওয়াতে। সে এলাকাতে তার কথা মত না চললে তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার ভয় দেখায়। জুয়েল এখন দেশের বাহিরে ইয়াবা চালান পাঠাছে প্রতিনিয়ত সে দেশে তার ভাই সহ কয়েকজন মিলে মাদক মাদক সিন্ডিকেট তৈরী করেছে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরব সহ মধ্যে আর্য মধ্যপ্রাচ্য দেশে পৌছে যায় ইয়াবা কারবারী জুয়েল তার সহযোগী কারনে তার আসাক্ত হয়ে যাচ্ছে সে দেশে অবস্থানরত বাঙালিদের মধ্যে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। করোনা মহামারিতে থেমে নেই ইয়াবার কারবার। বিগত দিনে লগডাউনের করনে কিছুটা সঙ্কট দেখা দেয়ায় ১০০ থেকে ১৫০ রিয়েলেও বিক্রি হয়েছে, সরবরাহ বেশী থাকলে ৪০-৫০ রিয়েলে তা পাওয়া যায় বলে জানায় প্রবাসীদের সূত্রগুলো। তাদের অনেকেই জ তা ছাড়া মাদকবাজার গড়ে তোলার পেছনে বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে ঢালাও অভিযোগ উত্থাপিত হলে তা বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও দেশের শ্রমবাজার চরম হুমকির মুখে ফেলতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন সচেতন প্রবাসীরা। এদিকে মাদক পাচার ও বাজারজাতের ঘটনায় অনেক প্রবাসীর হাড়ভাঙা পরিশ্রমে উপার্জিত অর্থের বড় অংশই ইয়াবা বাজারে খরচ হয়ে যাচ্ছে। এর কারন পাচারকৃত মদক ইয়াবার খদ্দের মুলত বাংলাদেশী বিপথগামী প্রবাসীরাই। সাম্প্রতিক সময়ে সৌদিয়ান গুটি কয়েক নাগরিকরা যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট হিসেবে গ্রহণ করছে বলে জানা গেছে। আর তাদের ইয়াবার নেশা শেখাচ্ছে মাদকের বড় ডিলাররা।
এদিকে সৌদিতে মাদকে আগ্রাসনের কারনে সৌদিতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিও প্রশ্নের মুখে পড়ার চরম আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের অন্যত্যম ও প্রধান শ্রমবাজার হিসেবে পরিচিত সৌদি আরবে ইয়াবা পাচার ও মাদকবাজার গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দেশের মাদক মাফিয়া খ্যাত বড় ৩ টি সিন্ডিকেট তৎপর রয়েছে বলে প্রবাসীসহ বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য প্রমাণে জানা গেছে। এদের মধ্যে বড় দুটি সিন্ডিকেটের মুল কুমিল্লার এবং অন্যটি কক্সবাজারের টেকনাফ এলাকার। গত বছর কুমিল্লার কালির সীমান্ত পাঁচতবী এলাকার জুয়েল এলাকর ও সৌদি ইয়াবা ডন হিসেবে পরিচিত তার সহযোগী মুন্সীগঞ্জ জেলার সাইদুর নামে একজন রিয়াদে ১৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয়। যে বর্তমানে দাম্মাম জেলে রয়েছেন এখনো। পরে তার দেওয়া তথ্যসূত্র ধরেই সন্দেহভাজন আরো বেশ কিছু প্রবাসী বাঙালি ও একজন রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করা হয়েছে। তবে সে ওমরা ভিসার সুবাদে গ্রেফতার এড়িয়ে দেশে চলে আসে তার অন্যতম সহযোগী। এর আগেও কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার মহেশপুর গ্রামের সৌদির আরেক ইয়াবা ডিলার মোতালেব ৫ হাজার পিস ইয়াবা ও এক ফিলিপাইনি নারীসহ সৌদি গোয়েন্দাদের হাতে আটক হয়। সৌদির বড় ইয়াবা কারবারি সিন্ডিকেটের আরেকজন বুড়িচং উপজেলার সোন্দ্রম এলাকার শাহপরান। সৌদি প্রবাসীদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মুলত কুমিল্লার মাদক সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণেই পুরোপুরি চলছে সৌদি আরবের মাদক ইয়াবা বাজার। মুসলমানদের পবিত্র ভূমি মক্কা, মদিনা, রিয়াদ, জেদ্দা, আল কাসিম, ভাতা, হারাসহ, সালভোক, মালাজ সহ বাঙ্গালী অধ্যুষিত প্রায় প্রতিটি শহরেই রয়েছে বড় ইয়াবা ডন ও ডিলারদের নিজস্ব কিছু এজেন্ট। আর এদের মাধ্যমে ইয়াবার একচ্ছত্র বাজার গড়ে তোলা হয়েছে। মোবাইল সেলসম্যানদের মাধ্যমে ফোনে ফোনে পৌঁছে দেয়া হয় সেবনকারী প্রবাসীদের ঘরে ঘরে। এদিকে অধিক লাভ আর রাতারাতি বড়লোক হওয়ার আশায় অনেক সেবকারীরাও জড়িয়ে পরছে এ ব্যবসায়।
ইয়াবা ব্যবসায়ীদের প্রলোভন প্রতারণায় ও অল্প সময়ে ধনী হওয়ার লোভে অনেক প্রবাসী ইয়াবা সিন্ডিকেটে বিনিয়োগ করে নিঃস্বও হয়ে গেছেন। ইয়াবা বাণিজ্যে পুঁজির নামে যারাই মোটা অঙ্কের টাকা আগাম বিনিয়োগ করেছেন, সিন্ডিকেট প্রধানরা তাদের অনেকেই সামান্য কিছু ইয়াবা দিয়ে শুরু করেছেন। আবার বেশী লাভ দেয়ার কথা বলে দেশ থেকে বাকীতে ইয়াবার জোগান দেয়া মাদক কারবারিদের থেকে ইয়াবা সিন্ডিকেট প্রধানদের কয়েকজন হয়েছেন রাতারাতি কোটিপতি
ইয়াবা কারবারে বিনিয়োগ ও দ্রুত ধনী হওয়ার লোভে পরে গত ৩ বছরে কুমিল্লা বরুড়া, আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, বুড়িচং এলাকায় নিয়ন্ত্রণ করছে জুয়েল সিন্ডিকেট তার কাছ থেকে কুমিল্লা জেলা তরুণ সমাজ কে মুক্ত করার সময় দাবী জানাছেন জেলাবাসী

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।