ঢাকাশনিবার , ২০শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইটি বিশ্ব
  3. আজকের ঢাকা
  4. আজকের রাশিফল
  5. আদর্শ সদর
  6. আমাদের পরিবার
  7. আর্ন্তজাতিক
  8. ইসলামী জীবন
  9. উদ্ভাবন
  10. করোনা
  11. কুমিল্লা
  12. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  13. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন
  14. খুলনা
  15. খেলাধুলা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দেবিদ্বরে চেয়ারম্যানের দুই মেয়ে ও পুত্রবধূ সহ নিকটাত্মীয়রা পাচ্ছেন হতদরিদ্রদের মাতৃত্ব ভাতা!!

admin
অক্টোবর ৩, ২০২১ ৪:৫৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সকালের কুমিল্লা ডেস্ক।।
সরকার অন্তঃসত্ত্বা নারীদের নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে হতদরিদ্র মায়েদের জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতার সুবিধা চালু করেছে। অথচ হতদরিদ্র এই মায়েদের ভাতার তালিকায় এক ইউপি চেয়ারম্যানের দুই মেয়ে ও পুত্রবধূর নাম রয়েছে। উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নামের মাতৃত্বকালীন ভাতার সুবিধার তালিকায় তাদের নাম পাওয়া গেছে।

অভিযুক্ত ওই চেয়ারম্যানের নাম মো. খোরশেদ আলম। তিনি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। এ ছাড়া অতিদরিদ্র অন্তঃসত্ত্বা নারীদের মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য নাম তালিকাভুক্ত করতে ঘুষ গ্রহণ করা হয়েছে বলেও একাধিক ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেছেন।

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপজেলা কার্যালয় থেকে পাওয়া তালিকা থেকে দেখা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদানের নামের তালিকায় গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. খোরশেদ আলমের দুই মেয়ে জাকিয়া ও কানিজ জোহরার নাম এবং ২০২০-২১ অর্থ বছরের তালিকায় পুত্রবধূ হালিমা আক্তারের নাম রয়েছে।

ভাতা প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, দারিদ্র সীমার নিচে বসবাসকারী, অসহায়, স্বামী অক্ষম, বয়স ২০-৩৫ বছরের নিচে ও পাঁচ শতকের নিচে জমি থাকা ব্যক্তিরা সরকারি এ সুবিধা পাবেন। কিন্তু চেয়ারম্যানের দুই মেয়ে ও পুত্রবধূ সচ্ছল হওয়া সত্ত্বেও গত তিন বছর ধরে মাতৃত্বকালীন ভাতার টাকা আত্মসাৎ করে আসছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, দেশের হতদরিদ্র পরিবারের নারীদের সরকার মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান করে থাকে। প্রতি নারীকে মাসে ৮০০ টাকা করে ৩৬ মাসে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা ভাতা প্রদান করা হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে উপজেলার গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন এলাকায় ৭০ জন হতদরিদ্র নারীকে মাতৃত্বকালীন ভাতার আওতায় আনা হয় এবং ২০২০-২১ অর্থ বছরের আরও ১৪ জন নাম তালিকায় অন্তভুক্ত করা হয়। এর মধ্যে চেয়ারম্যানের নিকট আত্মীয়সহ তার দুই মেয়ে ও পুত্রবধূর নাম রয়েছে।

অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমার দুই মেয়ে ও পুত্রবধূ ভাতা পায়। মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রধানমন্ত্রীর মেয়েও পেতে পারে। এতে কোনো সমস্যা নেই।’

এ বিষয়ে উপজেলা মহিলা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সালমা ইয়াসমিন বলেন, ‘মাতৃত্বকালীন ভাতার তালিকায় চেয়ারম্যান খোরশেদ আলমের দুই মেয়ে ও এক পুত্রবধূর নাম রয়েছে। এত বছর আমরা তা জানতাম না। পরে কয়েকদিন আগে এ বিষয়টি নজরে আসে। আমি এ বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করব।’

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।