ঢাকাবুধবার , ১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইটি বিশ্ব
  3. আজকের ঢাকা
  4. আজকের রাশিফল
  5. আদর্শ সদর
  6. আমাদের পরিবার
  7. আর্ন্তজাতিক
  8. ইসলামী জীবন
  9. উদ্ভাবন
  10. করোনা
  11. কুমিল্লা
  12. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  13. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন
  14. খুলনা
  15. খেলাধুলা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বরুড়া উপজেলার নাম করণের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও কিছু অজানা তথ্য

Edited by_Sakib al Helal
ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২ ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

মোঃ শাহ আলম,বরুড়া।।
কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলা ইতিহাস ও ঐতিহ্যের দিক থেকে একটি প্রসিদ্ধ উপজেলা। এর নামকরণ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। বরুড়া নাকি বরুরা এ নিয়ে মাঝে মাঝে দু এক কথা হয়। আগে ‘ঢাকা’কে লিখা হতো Dacca, এখন লিখে Dhaka. তদ্রূপ আগে লিখা হতো বরুরা আর এখন বরুড়া।
বরুড়া বাংলাদেশের মধ্যে পান এর জন্য বিখ্যাত ছিল। এখানকার উৎপাদিত পান এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশবিদেশে রপ্তানিও হতো।
পান ক্ষেতকে বলা হয় পানের ‘বরজ’ বরুড়ার আঞ্চলিকতার পানের বর’ আর যারা চাষ করেন তাদেরকে বলা হয় বরই আঞ্চলিকতায় বরু। এ আঞ্চলে যেহেতু পান উৎপাদন বেশি আর এখানে বাস করে বরু’রা। এভাবেই বরুরা শব্দের উৎপত্তি হয়েছে বলে জানা যায়। এখনো পুরনো দলিলপত্রে লিখা আছে বরুরা। কালের পরিক্রমায় এ বরুরা থেকে বরুড়া হয়েছে।

বরুড়ার ইতিহাস গ্রন্থের লেখক জনাব নাসির আহমেদ তিনি পানের বরজ থেকে বরুড়ার নাম করণের কথা উল্লেখ করেন। আবার কারও মতে বৌদ্ধদের ধর্মীয় খেতাব বড়ুয়া হতে বরুড়ার নামকরণ হয়েছে।

বরুড়া ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ থানা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৩ সালের ২৪ মার্চ এটি উপজেলায় উন্নিত হয়। ১৯৯৫ সালে এটিকে পৌরসভায় রূপান্তর করা হয়।
২০২২ সালে বরুড়া পৌরসভাকে ১ম শ্রেণির পৌরসভার হিসেবে স্বীকৃতি কথা শোনা যায়।

আয়তন ২৪২.৬৫ বর্গকিমি (৯৩ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)- ৪,০৫,৬১১
জনঘনত্ব ১,৭০০/বর্গকিমি (৪,৩০০/বর্গমাইল)
পোস্ট কোড ৩৫৬০

অবস্থান: ২৩°১৪´ থেকে ২৩°৩৭´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০°৫৬´ থেকে ৯১°০৮´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। সীমানা: উত্তরে কুমিল্লা আদর্শ সদর ও চান্দিনা উপজেলা, দক্ষিণে লাকসাম ও শাহরাস্তি উপজেলা, পূর্বে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ ও লাকসাম উপজেলা, পশ্চিমে চান্দিনা ও কচুয়া (চাঁদপুর) উপজেলা। উপজেলার পূর্বাংশে রয়েছে লালমাই পাহাড়ের অংশ বিশেষ।

বরুড়ার প্রশাসনের দায়িত্বরত কর্মকর্তাগণ (রাজনৈতিক)
ক) বরুড়া সংসদীয় আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য নাছিমুল আলম চৌধুরী নজরুল, (কুমিল্লা-৮)
খ) উপজেলা চেয়ারম্যান এ এম এন মইনুল ইসলাম।
গ) উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ কামাল হোসেন।
ঘ) পৌর মেয়র মোঃ বক্তার হোসেন বখতিয়ার।
প্রশাসনিক-
ঙ) উপজেলা নির্বাহি অফিসার আনিসুল ইসলাম
চ) উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা (ম্যাজিস্ট্রেট) মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ।
ছ) থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা – ইকবাল বাহার মজুমদার।
জ) উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা – কামরুল হাসান সোহেল।
ঝ) মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার- মোঃ সাইফুল ইসলাম।

পত্রিকার সম্পাদক –
১) মোঃ আবুল হাসেম- টেলিফোন
২) বরুড়া কন্ঠ মোঃ ইউসুফ
৩) অপরাধ সংবাদ – জসীম উদ্দিন খোকন
৪) বিবর্তন – দিলীপ মজুমদার

সাংবাদিকদের সংগঠন দুটি
১) বরুড়া প্রেসক্লাব
সভাপতি- মোঃ আবুল হাসেম
২) উপজেলা প্রেসক্লাব
সভাপতি- সলিল রঞ্জন বিশ্বাস।

জনসংখ্যা ৩৫১০৮৬;
পুরুষ ১৭৪২৪২,
মহিলা ১৭৬৮৪৪
মুসলিম ৩২৩৮০৭,
হিন্দু ২৬৮০৩,
বৌদ্ধ ১৮,
খ্রিস্টান ৪০৩
এবং অন্যান্য ৫৫।

শিক্ষার হার ৪৪.৯২%;
পুরুষ ৪৭.৩৫%,
মহিলা ৪২.৬০%

স্বাক্ষরতার হার ৫৬%

বিভিন্ন ইউনিয়নে শিক্ষার হারঃ
আগানগর (%) ৪৮.২৮
আড্ডা (%) ৫৬.৯৯
আদ্রা (%) ৪৮.৬৪
উত্তর খোশবাস (%) ৩৯.৬১
দক্ষিণ (%) ৪২.৬৫
গালিমপুর (%) ৪৪.৭৩
চিতড্ডা (%) ৩৪.৪০
ঝলম (%) ৪৪.২৮
দেওড়া (%) ৩৮.৯৭
পয়ালগাছা (%) ৪৯.০৩
ভবানীপুর (%) ৪০.২২
লক্ষ্মীপুর (%) ৫০.৬৬
উত্তর শিলমুড়ী (%) ৪৪.৪৮
দক্ষিণ শিলমুড়ী (%)৪৩.৩৪
শিক্ষার হার বেশি আড্ডা ইউনিয়নে আর শিক্ষার হার কম চিতড্ডা ইউনিয়নে।

জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস কৃষি ৫৫.০৮%,
অকৃষি শ্রমিক ২.৮৬%,
ব্যবসা ১১.২১%,
পরিবহণ ও যোগাযোগ ৩.৭৮%, চাকরি ৮.৯০%,
নির্মাণ ১.৩৯%,
ধর্মীয় সেবা ০.৪০%,
রেন্ট অ্যান্ড রেমিটেন্স ৭.১৭% এবং
অন্যান্য ৯.২১%।

কৃষিভূমির মালিকানা
ভূমিমালিক ৬৬.৪৪%,
ভূমিহীন ৩৩.৫৬%
শহরে ৬১.৬২%
গ্রামে ৬৭.০৭% পরিবারের কৃষিজমি আছে।

যোগাযোগ বিশেষত্ব
পাকারাস্তা ১৭৫ কিমি,
কাঁচারাস্তা ২০৫ কিমি
রেলপথ ১ কিমি

পানীয়জলের উৎস
নলকূপ ৯৩.৭৯%,
ট্যাপ ০.৭১%,
পুকুর ০.৫৪%
অন্যান্য ৪.৯৭%।

স্যানিটেশন ব্যবস্থা
৬২.২৪%
গ্রামে ৬২.৯০%
শহরে ৫৭.১৯%
পরিবার স্বাস্থ্যকর ল্যাট্রিন ২৩.৩৩% গ্রামে ২২.৯১%
শহরে ২৬.৫৬%
১৪.৪৩% পরিবারের কোনো ল্যাট্রিন সুবিধা নেই।

স্বাস্থ্যকেন্দ্র উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১,
পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ১৫, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ৫,
পরিবার পরিকল্পনা উপকেন্দ্র ৫, কমিউনিটি ক্লিনিক ১৯,
দাতব্য চিকিৎসালয় ৫,
ক্লিনিক ১।

এ উপজেলার অগভীর নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি প্রমাণিত হয়েছে।

প্রাচীন নিদর্শনাদি ও প্রত্নসম্পদ আদিনামুড়ার মসজিদ ও মাযার, চন্ডীমাতার মন্দির, মইর দীঘি (বাঁশপুর গ্রাম)।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন গণকবর ১টি যেটা বটতলীর অদূরে নারায়ণপুরে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।