ঢাকাবুধবার , ১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইটি বিশ্ব
  3. আজকের ঢাকা
  4. আজকের রাশিফল
  5. আদর্শ সদর
  6. আমাদের পরিবার
  7. আর্ন্তজাতিক
  8. ইসলামী জীবন
  9. উদ্ভাবন
  10. করোনা
  11. কুমিল্লা
  12. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  13. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন
  14. খুলনা
  15. খেলাধুলা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সকল রোগের শাফা কুরআন) আজকে পবিত্র জুমার খুতবা।

Edited by_Sakib al Helal
সেপ্টেম্বর ৩, ২০২১ ৫:২৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

হাফেজ মোঃ নূর হোসেন,ফেনী।।

এসো কুরআনের ছায়াতলে
সমবিত হয়
এসো আল্লাহ ও রাসূলের
অনুগত হয়।
(মহাসংবিধান কুরআন আয়াত)
১)সূরা ফাতেহা আয়াত ১-৭
২)সূরা বাকারা আয়াত ১৫৫,১৫৬
৩)সূরা বনীইসাঈল আয়াত ৮২
৪)সূরা শুয়ারা আয়াত ৮০
৫)সূরা মুমিন আয়াত ২৭
৬)সূরা দুখান আয়াত ২০
৭)সূরা জিন আয়াত ১
৮)সূরা ত্বহা আয়াত ৬৯
৯)সূরা ফালাক, নাস আয়াত১১
তাফসীর দেখুন, তাফসীরে মারেফুল কুরআন,
তাফসীর ইবনে কাসীর,তাফসীর মারেফুল কুরআন।
(সুস্থ্যতা বড় নিয়ামত প্রিয়বাণী)
১)হযরত আব্দুল ইবনে ওমর রাঃ হতে বর্ণিত নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন সূরায়-ফাতেহা প্রত্যেক রোগের ঔষুধবিশেষ।সুনানে দারেমী৩৪১৩।
২)রাসূল সাঃ আরো বলেছেন সূরা ফাতেহা হলো শেফা সকল রোগের ঔষুধ। কুরতুবী।
৩)হযরত আনাস রাঃ হতে বর্ণিত আছে যে রাসূল সাঃ এরশাদ করছেন,,সমগ্র কুরআনের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ সূরা হলো ফাতেহা।কুরতুবী।
৪)হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাঃ হতে বর্ণিত নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন তোমরা স্বীয় বাসস্থানে প্রত্যেহ সূরা বাকারা পাঠ কর।কেননা যে বাড়িতে সূরা ফাতেহা নিয়মিত পাঠ করা হয় তাতে শয়তান প্রবেশ করতে পারেনা।মুস্তাদরাক হাকেম ৩০২৯।
৫)হযরত আব্বাস রাঃ হতে বর্ণিত নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসান ও হোসাইনের ওপর দোয়া পড়তেন, আমি তোমাদের দু’জনকে প্রত্যেক
শয়তান ও কষ্টদায়ক এবং বদনজর থেকে আল্লাহর ক্রটিমুক্ত কালেমাসমূহের আশ্রয় দিয়ে দিচ্ছে। বুখারী,মুসনাদ,তিরমিযী,মাজা।
৬)হযরত শাকাল ইবনে হুমাদ রাঃ তিনি রাসূল সাঃ কে বলেন আমাকে কোন দোয়া শিখিয়ে দেন।তখন রাসূল সাঃ বলেন, হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই আমার শ্রবণশক্তির অনিষ্ট থেকে,আমার দৃষ্টিশক্তির অনিষ্ট থেকে,আমার বাকশক্তির অনিষ্ট থেকে,আমার হৃদয়ের অনিষ্ট থেকে এবং আমার যৌবন ক্ষমতার অনিষ্ট থেকে।তিরমিযী,আবু দাউদ।
৭)হযরত আনাস রাঃ হতে বর্ণিত। নবী সাঃ বলতেন, হে আল্লাহ! আমি শ্বেতকুষ্ঠ, উম্মাদনা,কুষ্ঠরোগ ও সমস্ত খারাপ রোগ থেকে তোমার আশ্রয় চাই।আবু দাউদ।
(রোগমুক্তি বাস্তবধর্মী সংক্ষিপ্ত ইতিহাস)
১)আমি কুরআনের সুর মাঝ
শুনেছি যে নাম
আযানের সুর মাঝে
ও শুনেছি ও নাম
ও নাম শুনেছি আমি
আমার হৃদয়
হে রাসূল নবী যি তোমার।
২)হযরত আদম আঃ থেকে মুহাম্মদ সাঃ পর্যন্ত সকল নবী ও রাসূলের চিকিৎসার সকল সমাধান ছিলো আল্লাহ রাব্বুল আলামিন,,,
৩)রোগব্যধি,শোক,বিপদ,আপদ,অশান্তি, হতাশা কারো জন্য পরীক্ষা করো জন্য পাপের শাস্তি,,,
৪)ইবরাহীম আঃ যখন অসুস্থ্য হতেন আল্লাহ পাকের কাছে সাহায্য চাইতেন সুস্থ্য হতেন,,,
৫)ইয়াকুব আঃ ইউসুফের জন্য কান্না করতে গিয়ে নিজের চোখের দৃষ্টি হারান তখন ইউসুফ আঃ আল্লাহর সাহায্য চেয়ে নিজের জামার মাধ্যমে চোখের দৃষ্টি আবার ফিরে পেয়েছেন,,,
৬)আইয়ুব আঃ দীর্ঘ ১৮ বাছর পর্যন্ত রোগে আক্রান্ত ছিলেন ১৮ বছর পর আল্লাহ কাছে সাহায্য চাওয়ার সাথে সাথে আগের চেয়ে বেশি সুস্থ্যতা পেলেন,,,
৭)হুদায়বিয়ার সন্ধির পর ৭ হিঃ তে মহরম মাসে দুষ্ট যাদুকর লাবেদ বিন আসেম রাসূল সাঃ কে যাদুটোনা করে কুমন্ত্রপড়ে দীর্ঘ ১বছর পর্যন্ত বিছানায় শুয়ে ছিলেন,তখন আয়েশা রাঃ বর্ণিত দুজন ফেরিস্তা মাথা পায়ের পাশে বসে সব ঘটনা বল্লেন, তখন সাহাবীরা গিয়ে আফওয়ান কুফে গিয়ে ১১ টা গিরা দেওয়া চিরুনি উদ্ধার করে সূরা ফালাক আর নাস পড়ে গিট খুলেন,,,
৮)কুরআনের শুরু সূরা ফাতেহা শেফা দিয়ে এবং শেষ করেছেন সূরা ফালাক, নাস রোগ মুক্তি দিয়ে,
৯)রাসূল সাঃ আয়েশা রাঃ কে বলেন আয়েশা পানি গরম করে আনো, আনার পর গরম পানিতে সূরা ফাতেহা পড়ে আর পানি রাসূল ক্ষতস্থানে ঢালে এই ভাবে ভাইরাস কেটে গেলো,এন্ট্রিবায়টিক শেরে গেলো,,
১০)আবু সাঈদ খোদরী রাঃ বর্ণনা করেন এক পল্লিতে সফর গেলাম তখন একজন এলাকাবাসাকিকে বিচ্ছু কামড়ালো তখন সাঈদ রা সূরা ফালাক, নাস পড়ে ফুৃঁ দিলেন সুস্থ্য হয় গেলো,,
১১)ওমর রাঃ শাসনকালে কিছু ইহুদী মদীনাতে একটি হাসপাতাল খুললো ওমর নিষেধ করার পরো যখন তিনমাস হয় হলো কোন রোগি আসেনা তখন তারা ওমরের কাছে ক্ষমা চেয়ে গুটিয়ে চলে গেলো, ওমর রাঃ বললেন রাসূল সাঃ শহর,কুরআনেই মূল ঔষূধ,,,
১২)রাসূল সাঃ সবসময়ে দোয়া শিখিয়ে দিয়েছেন, আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও অসুস্থ্যাতা থেকে,বিপদ থেকে,কঠিন রোগ থেকে,অশান্তি থেকে,হতাশা থেকে,,
১৩)রাসূল সাঃ আরো বলেন আশ্রয় চাও সকল খারাপি জিন ইনসান থেকে, রোগ থেকে,সকাল আর বিকেল সূরা ফালাক, নাস পড়,,,
১৪)রাসূল সাঃ বলেন কোন ব্যথা,অসুস্থ, ক্ষতস্থানে সূরা ফাতেহা পড়ে গরম পানি,খাও দাও
১৫)আজকের ডাক্তাররা যে এন্ট্রিবায়ুটিক দেয় তা রাসূল সাঃ প্রথম ব্যবহার করেন উম্মতকে শিখান,
১৬)রাসূল সাঃ কে ৪ বার ওপেনহার্টজার্জারী করা হয়, সেখান থেকে আজকের ডাক্তাররা তা করে,,
১৭)কুরআন আল্লাহ পাক নাযিল করেন সকল উম্মতকে সকল রোগব্যধি থেকে বিপদ আপদ থেকে বাঁচানোর জন্য,,
১৮)কুরআন থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন যুগে যুগে সকল মানুষেরা,যারাই নিয়েছেন তারাই সফলতা লাভ করেছেন,যেমন বোবা কথা আমার দেখা আমার এলাকায় দৃষ্টিহীন দৃষ্টি পিরে পায় ইয়াকুব নবী,,
১৯)জিনরা কুরআন থেকে চিকিৎসা নে তারা বলে আজিব কুরআন,কুরআন বড় নিয়ামত,,
২০)কুরআন ৩ হাজার রোগের চিকিৎসক আর মানুষকে ১ হাজার রোগের চিকিৎসা করার শিক্ষা দিয়েছে,,
২১)ইহুদী,নাসারা,অন্যধর্মের লোকেরা তাদের নিজস্বধরর্ম গ্রন্থ থেকে চিকিৎসা করায়,,,
২২)কুরআন চিকিৎসা থেকে যারাই দূরে সরেছে তারাই ধ্বংস হয়েছে, কুরআন থেকে যারাই চিকিৎসা নিয়েছে তারাই সুস্থ ও সফল হয়েছে,
২৩)আল্লাহ বান্দার জন্য উত্তম শেফা নাযিল করেছেন মহা সংবিধান, গাইডলাইন,প্রেসক্রিপশান,দিয়েছেন আল কুরআন সকল সমাধান,,
২৪) বর্তমানে কল্যাণময় যতো চিকিৎসা আছে সব গুলো নেয়া উত্তম যায়েয এবং সমসাময়িক যে মহামারি সারা বিশ্বকে ধরেছে তার জন্য ভ্যাক্সিন দেয়া অবশ্যই উত্তম, আল্লাহ পাক সবায়কে করোনা মহামারি থেকে হেফাজত করুক।
সকল আলোচনা পেতে H MD ALOCHONA
মহরম ২৪তাঃ হিঃ ১৪৪৩
ভাদ্র ১৯ তাঃ সন ১৪২৮
সেপ্টেম্বর ৩ তাঃ সাল ২০২১

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।