ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইটি বিশ্ব
  3. আজকের ঢাকা
  4. আজকের রাশিফল
  5. আদর্শ সদর
  6. আমাদের পরিবার
  7. আর্ন্তজাতিক
  8. ইসলামী জীবন
  9. উদ্ভাবন
  10. করোনা
  11. কুমিল্লা
  12. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  13. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন
  14. খুলনা
  15. খেলাধুলা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

”আল্লাহর রজ্জকে আঁকড়ে ধরো ”

Edited by_Sakib al Helal
মে ২০, ২০২২ ৬:৫১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

আজকের জুমার আলোচনা
লেখকঃ হাফেজ মাওলানা নুরহোছাইন।
হও মুসলিম এক হও আজ
এক হওয়া ঈমানের মূল কারুকাজ।
শয়তান চাইনাতে ঐক্য
হাতে হাত কাঁধে কাধ জিহাদ করি
ধরাতে কায়েম কুরআনের রাজ।
”মহাগ্রন্থের আয়াত সমূহ”
সূরা ইমরান আয়াত ১০৩,৩১,১৯,১০৫
সূরা আনফাল আয়াত ৬৫,১৮৫
সূরা নাহল আয়াত ১২৫
তাফসীর পড়ুন তাফসীর তাফহীমূল কোরআন, তাফসীরে ইবনে কাসীর,তাফসীরে নুরুল কোরআন।
”রাসূল আকরাম সাঃ  প্রিয় বাণী”
হযরত যায়েদ ইবনে আরকাম রাঃ কতৃক বর্ণিত রাসূল সাঃ বলেন কোরআন হল আল্লাহ তা’আলার রজ্জু,যা আসমান থেকে যমীন পর্যন্ত প্রলম্বিত। তিরমিযী ৩৭৮৮।
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন  তোমাদের জন্যে তিনটি বিষয় পছন্দ করেছেন এবং তিনটি বিষয় অপছন্দ করেছেন। পছন্দনীয় বিষয় ১,তোমরা আল্লাহর ইবাদাত করবে তার সাথে কাউকে শরীক করবেনা।
২,আল্লাহর কিতাব কোরআনকে সুদৃঢ়ভাবে ধারণ করবে এবং অনৈক্য থেকে বেঁচে থাকবে।
৩,শাসনকর্তাদের প্রতি শুভেচ্ছার মনোভাব পোষণ করবে।
অপছন্দনীয় বিষয়, ১,অনাবশ্যক কথাবার্তা ও বির্তক অনুষ্ঠান। ২,বিনা প্রয়োজনে কারো কাছে ভিক্ষা চাওয়া। ৩, সম্পদ নষ্ট করা।ইবনে কাসীর।
 হজরত আবু দারদ (রা.) কর্তৃক বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘আমার পরে আবু বকর এবং উমরের অনুসরণ কর। কেননা তার দুজন খোদার সেই দীর্ঘ রজ্জু, যে এই দুজনকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরবে সে যেন এমন এক হাতল ধরেছে, যা ভাঙার নয়’ (বৈরুত থেকে প্রকাশিত তফসির দূররে মনসুর, প্রথম খণ্ড, পৃ: ৫৮৪)।
”গুরুপূর্ণ বাণী ”
আমাদের প্রভু এক এক নবীর উম্মত
জীবন বিধান এক ঐশী বাণী কুরআন
তবে কেন এক নও হে মুসলমান
এক হও এক হও করি আহবান।
✒তোমরা সবাই মিলে আল্লাহর রজ্জুকে শক্ত করে আঁকড়ে ধর
এবং কখনও পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।
[সূরা আল ইমরান – আয়াত ১০৩]
✒নিসন্দেহে ইসলামই আল্লাহ্ তায়ালার কাছে গ্রহণযোগ্য একমাত্র
জীবন ব্যবস্থা।
[সূরা আল ইমরান – আয়াত ১৯]
✒আপন পালনকর্তার পথের প্রতি আহ্বান করুন জ্ঞানের
কথা বুঝিয়ে ও উপদেশ শুনিয়ে উত্তমরূপে এবং তাদের সাথে বিতর্ক
করুন পছন্দ যুক্ত পন্থায়। নিশ্চয়ই আপনার পালনকর্তা ঐ
ব্যক্তি সম্পর্কে বিশেষভাবে জ্ঞাত রয়েছেন, যে তাঁর পথ
থেকে বিচ্যুত হয়ে পরেছে এবং তিনিই ভাল যানেন তাদেরকে,
যারা সঠিক পথে আছে
[সূরা নাহল: ১২৫]
✒তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত,মানবজাতির কল্যাণের জন্যই
তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। তোমরা সৎকাজে নির্দেশ দান
করবে ও অন্যায় কাজে বাধা দিবে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে।
আর আহলে কিতাবরা যদি ঈমান আনতো,তবে তা তাদের জন্য মঙ্গলকর
হতো। তাদের মধ্যে কিছু তো রয়েছে ঈমানদার আর অধিকাংশই
হলো পাপাচারী।
[সূরা আলে ইমরান। আয়াত:১১০]
✒হে নবী, আপনি মুসলমানগণকে উৎসাহিত করুন জেহাদের জন্য।
তোমাদের মধ্যে যদি বিশ জন দৃঢ়পদ ব্যক্তি থাকে,
তবে জয়ী হবে দুশর মোকবেলায়। আর যদি তোমাদের
মধ্যে থাকে একশ লোক, তবে জয়ী হবে হাজার কাফেরের উপর
থেকে তার কারণ ওরা জ্ঞানহীন।
[সূরা আনফাল-৬৫]
✒পার্থিব জীবন ক্রীড়া-কৌতুক ব্যতীত কিছু নয়, যারা সংযত হয়
তাদের জন্য পরকালের আবাসই শ্রেষ্ঠতর । তোমরা কি তা বোঝ না ?
[সূরা আল-আন’আমঃ ৩২]
✒অবশেষে প্রত্যেক ব্যক্তিকেই মরতে হবে এবং তোমরা সবাই
কিয়ামতের দিন নিজেদের পূর্ণ প্রতিদান লাভ করবে । একমাত্র
সেই ব্যক্তিই সফলকাম হবে, যে সেখানে জাহান্নামের আগুন
থেকে রক্ষা পাবে এবং যাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে ৷ আর এ
দুনিয়াটা তো নিছক একটা বাহ্যিক প্রতারণার বস্তু ছাড়া আর কিছুই
নয় ।
[সুরা আল ইমরানঃ ১৮৫ ]
খেলাফত ৩০ বছর পর্যন্ত কায়েম থাকবে। ৩০ বছর পর ৪০ হিজরিতে হজরত আলী করিমুল্লাহ ওয়াজহাহুর শাহাদতের মাধ্যমে খেলাফতে রাশেদার এই কল্যাণময় ধারা বিলুপ্ত হয়ে যায়। এরপর ৪১ হিজরিতে হজরত আমির মুয়াবিয়ার (রা.) মাধ্যমে বনু উমাইয়্যার রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ১৩২ হিজরিতে মারওয়ান সানির পর আবুল আব্বাস আবদুল্লাহ বিন সুফফাহর মাধ্যমে বনু আব্বাসের রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়, যার ধারা ৬৫৬ হিজরিতে ‘আল মুতাসিম বিল্লাহ’র শাসনামলে সমাপ্ত হয়। যখনই ঐশী খেলাফতের রজ্জু থেকে মুসলমানরা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তখন থেকেই তাদের উন্নতির ধারা বন্ধ হতে থাকে।
স্থাপন করেছো তুমি তোমার হাতে
হাজরে আসওয়াদ
ঐক্যের বন্ধন করেছো অটুুট
মিটিয়ে দিয়ে সকল বিভাদ
তোমারী মুগ্ধ আচরণে
সকল মানুষ তাই হয়েছে ব্যাকুল।
অতএব প্রথম যুগের খেলাফত হজরত আবু বকর (রা.)-এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মহানবী (সা.)-এর আরেকটি ভবিষ্যদ্বাণী অনুসারে ‘আল খিলাফাতু সালাসুনা সুন্নাতুন’ (মেশকাত, পৃষ্ঠা : ৪৩৬)।
আমাদের মাঝে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত থাকবে। জাতীয় ও ধর্মীয় ঐক্য সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে। আর এই ঐক্য-ই আমাদের এক উম্মতে পরিণত হওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করবে, যার ফলে আমরা এক শক্তিশালী জাতিতে পরিণত হতে পারব।
আমরা দেখতে পাই যখনই ঐশী খেলাফতের রজ্জু থেকে মুসলমানরা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তখন থেকেই তাদের উন্নতির ধারা বন্ধ হতে থাকে এবং বিশ্বময় অমুসলিমদের দ্বারা মার খাওয়া শুরু হয়। তাই আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরতে হবে।
আর এই উদ্দেশ্য সাধনের লক্ষ্যে উত্তাল সমুদ্রও তাদের পথে অন্তরায় সৃষ্টি করতে পারেনি এবং ভয়ানক মরুভূমিও তাদের উদ্যমে চিড় ধরাতে পারেনি। এমনকি অল্প সময়ের মধ্যেই ইসলামের দিগ্বিজয়ী, চিরস্থায়ী, শান্তি ও নিরাপত্তা এবং সত্য ও খাঁটি তৌহিদের শিক্ষা এবং জীবন প্রদায়িণী খোদাপ্রেমের বাণী দ্বারা গোটা বিশ্বজগতকে প্রদীপ্ত করার জন্য এই তারা ‘কর্মের মূর্ত প্রতীক’ হিসেবে সব সমস্যাকে পায়ে ঠেলে সম্মুখে এগিয়েছে। ফলে আল্লাহ তাদের উত্তরোত্তর সফলতাও দান করেছেন।
এ অসভ্য ও বর্বর জাতি যখন মহানবী (সা.)-এর মতো শ্রেষ্ঠ নবী, পবিত্রকারী ও সম্মানিত রসুলের আঁচল ধরে, তার দাসত্ব বরণ করে এবং আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে তখন তাদের জীবনাচার পাল্টে যায়। তারা অসভ্য হতে মানুষ এবং মানুষ হতে উন্নত স্বভাব চরিত্রের অধিকারী মানুষ আর উত্তম স্বভাবের মানুষ হতে খোদাপ্রেমী মানুষে পরিণত হয়।
কাজেই আকাশ থেকে নেমে আসা এই আল্লাহর রজ্জু হচ্ছে, প্রথমে নবুয়ত আর পরবর্তী সময় খেলাফত, যা মানবজাতির জন্য একটি বিপ্লব সৃষ্টিকারী, অনুসরণীয় ও ঐতিহাসিক যুগের সূচনা করে।
পরস্পর বিভক্ত না হয়ে মহানবীর (সা.) শিক্ষার ওপর আমল করে আমাদের জীবন পরিচালনা করতে হবে।
সকল দল এক হওয়ার সময় এসেছে
তাগুদি শক্তি ধ্বংস করা সময়ের দাবি
হও মুসলিম এক গড়ে তুলি শান্তির বিধান মহাগ্রন্থ আল কোরআনের শাসন।
লেখক হাফেজ মাওলানা নুরহোছাইন

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।